ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২ ১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। সভাপতি ও সম্পাদক এর উপস্থিতি ছাড়াই নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি ইউনুচ আলীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ওহাব আলীর সঞ্চালনে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বাগাতিপাড়া উপজেলা জিসনেসিয়ামে বেলা তিনটায় শুরু হয়ে রাত নয়টা পর্যন্ত চলে এই বর্ধিত সভা।
সভায় উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসেনের সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার রহমানের সঞ্চালনা করার কথা থাকলেও তারা কেউই সভায় উপস্থিত হননি। সভার ব্যানারে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদকে বিশেষ অতিথি উল্লেখ করা হলেও তিনিও সভায় যোগ দেননি।সভায় বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি করার কথা থাকলেও আগের কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং আহ্বায়ক কমিটি গঠন ছাড়াই বর্ধিত সভা শেষ হয়। এ সময় সকল বিভক্তি ভুলে নিজেদের সংশোধন করে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আগামী উপজেলা আ’লীগের কাউন্সিল করার আহ্বানও জানানো হয় সভা বর্জনকারীদের। তবে যদি তারা না আসেন তাহলে দলের উপজেলা কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ইউনুচ আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওহাব আলী এই দ্বায়িত্ব পালন করবেন বলেও এ সময় হুশিয়ারি দিয়ে বক্তব্য দেন জেলা আ’লীগের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শরিফুল ইসলাম রমজান।

সভা বর্জনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, নাটোর জেলা আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখনো গঠিত হয়নি। শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। দলের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে জেলার সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান এর নির্দেশে বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। তবে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সবকিছু করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক।দলীয় সূত্রে জানা যায়, নাটোর-১ সংসদীয় আসনের এলাকাভুক্ত লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় বর্তমান সাংসদ শহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে প্রতিটি ইউনিটে দুটি করে কমিটি রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধ নিরসনে ১৯ মার্চ ঢাকায় শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) এস এম কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাটোরের পাঁচ সাংসদ, জেলা আ’লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট উপজেলার সভাপতি ও সম্পাদক এবং সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ আলোচনা শেষে সভায় ২৪ মার্চ বাগাতিপাড়া ও লালপুরে ২৫ মার্চ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা এবং ২৭ মে বাগাতিপাড়া ও ২৮ মে লালপুর উপজেলা আ’লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও প্রধান বক্তার তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

জেলার সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের বর্ধিত সভা হওয়ার কথা। কিন্তু লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদ গত মঙ্গলবার রাতে লালপুরের চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে জরুরি বৈঠক করে তাদের দেওয়া একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯ মার্চ দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতা সভায় সেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, সেগুলো জেলা সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের আশ্বাস দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সংশোধন করা হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২৪ মার্চের বর্ধিত সভায় যোগ দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, লালপুর ও বাগাতিপাড়ায় তার নেতৃত্বে ২০১৪ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়েছিল। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারা ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন করে নতুন কমিটি গঠন করেন। এর পাশাপাশি বর্তমান সাংসদ শহিদুল ইসলামের অনুসারীরাও প্রতিটি ইউনিটের আলাদা কমিটি গঠন করেছেন। এ অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কারা কাউন্সিলর হবেন, তা নিয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো নিরসন না করেই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একটি বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে অতিথিদের নামের যে ক্রমবিন্যাস করা হয়েছিল, তাও মানা হচ্ছে না। এ কারণে দুই উপজেলার নেতাদের সঙ্গে তিনিও বর্ধিত সভায় যোগ দেননি।

এ বিষয়ে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বিজ্ঞপ্তিতে প্রচার করেছেন তিনি। এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা কেন্দ্রীয় নেতারা সমাধান করবেন। তাই বলে গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বর্ধিত সভা না করার সিদ্ধান্ত জানানো ঠিক হয়নি। এটা সংগঠনবিরোধী তৎপরতা। এতে করে দলের মান ক্ষুন্ন হয়।

বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, নাটোর-১আসনের সাংসদ শহিদুল ইসলাম বকুল, সংরক্ষিত (নাটোর-নওগাঁ) নারী সাংসদ রত্না আহমেদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৮:২৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মার্চ ২০২২

সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াই বাগাতিপাড়া আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। সভাপতি ও সম্পাদক এর উপস্থিতি ছাড়াই নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি ইউনুচ আলীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ওহাব আলীর সঞ্চালনে বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বাগাতিপাড়া উপজেলা জিসনেসিয়ামে বেলা তিনটায় শুরু হয়ে রাত নয়টা পর্যন্ত চলে এই বর্ধিত সভা।
সভায় উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসেনের সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার রহমানের সঞ্চালনা করার কথা থাকলেও তারা কেউই সভায় উপস্থিত হননি। সভার ব্যানারে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদকে বিশেষ অতিথি উল্লেখ করা হলেও তিনিও সভায় যোগ দেননি।সভায় বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি করার কথা থাকলেও আগের কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং আহ্বায়ক কমিটি গঠন ছাড়াই বর্ধিত সভা শেষ হয়। এ সময় সকল বিভক্তি ভুলে নিজেদের সংশোধন করে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আগামী উপজেলা আ’লীগের কাউন্সিল করার আহ্বানও জানানো হয় সভা বর্জনকারীদের। তবে যদি তারা না আসেন তাহলে দলের উপজেলা কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ইউনুচ আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওহাব আলী এই দ্বায়িত্ব পালন করবেন বলেও এ সময় হুশিয়ারি দিয়ে বক্তব্য দেন জেলা আ’লীগের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শরিফুল ইসলাম রমজান।

সভা বর্জনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, নাটোর জেলা আ’লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখনো গঠিত হয়নি। শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। দলের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে জেলার সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান এর নির্দেশে বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। তবে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সবকিছু করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক।দলীয় সূত্রে জানা যায়, নাটোর-১ সংসদীয় আসনের এলাকাভুক্ত লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় বর্তমান সাংসদ শহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে প্রতিটি ইউনিটে দুটি করে কমিটি রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধ নিরসনে ১৯ মার্চ ঢাকায় শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) এস এম কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাটোরের পাঁচ সাংসদ, জেলা আ’লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংশ্লিষ্ট উপজেলার সভাপতি ও সম্পাদক এবং সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ আলোচনা শেষে সভায় ২৪ মার্চ বাগাতিপাড়া ও লালপুরে ২৫ মার্চ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা এবং ২৭ মে বাগাতিপাড়া ও ২৮ মে লালপুর উপজেলা আ’লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও প্রধান বক্তার তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

জেলার সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের বর্ধিত সভা হওয়ার কথা। কিন্তু লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদ গত মঙ্গলবার রাতে লালপুরের চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে জরুরি বৈঠক করে তাদের দেওয়া একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯ মার্চ দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতা সভায় সেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, সেগুলো জেলা সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের আশ্বাস দেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সংশোধন করা হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা ২৪ মার্চের বর্ধিত সভায় যোগ দিচ্ছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, লালপুর ও বাগাতিপাড়ায় তার নেতৃত্বে ২০১৪ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়েছিল। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারা ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন করে নতুন কমিটি গঠন করেন। এর পাশাপাশি বর্তমান সাংসদ শহিদুল ইসলামের অনুসারীরাও প্রতিটি ইউনিটের আলাদা কমিটি গঠন করেছেন। এ অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কারা কাউন্সিলর হবেন, তা নিয়ে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো নিরসন না করেই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একটি বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে অতিথিদের নামের যে ক্রমবিন্যাস করা হয়েছিল, তাও মানা হচ্ছে না। এ কারণে দুই উপজেলার নেতাদের সঙ্গে তিনিও বর্ধিত সভায় যোগ দেননি।

এ বিষয়ে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বিজ্ঞপ্তিতে প্রচার করেছেন তিনি। এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা কেন্দ্রীয় নেতারা সমাধান করবেন। তাই বলে গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বর্ধিত সভা না করার সিদ্ধান্ত জানানো ঠিক হয়নি। এটা সংগঠনবিরোধী তৎপরতা। এতে করে দলের মান ক্ষুন্ন হয়।

বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, নাটোর-১আসনের সাংসদ শহিদুল ইসলাম বকুল, সংরক্ষিত (নাটোর-নওগাঁ) নারী সাংসদ রত্না আহমেদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।