ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রাণীনগরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার মাইক ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্রী মনোরঞ্জন চন্দ্র, নওগাঁঃ
নওগাঁর রাণীনগরে নির্বাচনী প্রচার শুরুর প্রথম দিনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার মাইক ভাংচুর, মারপিট ও বাধা প্রদানের অভিযোগ ওঠেছে নৌকা প্রতিক প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার কাশিমপুর এবং গোনা ইউনিয়নে এ দুইটি অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কাশিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু জানান, বুধবার প্রতিক বরাদ্দ পেয়ে সন্ধ্যার দিকে তার সমর্থক-কর্মীরা আনারস মাকার্র পোষ্টার এবং মাইক দ্বারা প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছিল। এসময় কুজাইল বাজারে পৌছলে ওই ইউনিয়নের নৌকা মার্কা প্রার্থীর লোকজন ১০/১৫টি মটর সাইকেল নিয়ে ভোটের প্রচারাভিযানের মাইক ভাঙ্গচুর করে। এছাড়া চকমুনু গ্রামের গ্রামীন ব্যাংকের সামনে প্রশিকার মোড়ে হিলমেট পরিহিত ২টি মটর সাইকেল যোগে অজ্ঞাত লোকজন এসে পোস্টার ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ওই রাতে ইউনিয়নের কুবরাতলী বাজার হইতে ত্রিমোহনী পর্যন্ত লাগানো সকল পোস্টার ছিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এঘটনার পর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া একই দিন গোনা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আরিফ রাঙ্গার ঘোড়া মার্কা প্রতিকের প্রচার মাইক ভাংচুর ও প্রচার গাড়ী চালককে মারপিট করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিনি।
এব্যাপারে কাশিমপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলমগীর হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মকলেছুর রহমান বাবুর প্রচার মাইক নির্দিধায় চলছে। মকলেছুর রহমান বাবু চেয়ারম্যান পদে আছেন এবং পাশা-পাশি বিদেশে লোক পাঠানোর নামে অনেক লোকজনের সাথে টাকা-পয়সা নিয়ে ঝামেলা আছে। এর জের ধরে অন্য কেউ ভাংচুর করতে পারে।
গোনা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেক বলেন, আমার কোন লোকজন মারটি বা ভাংচুর করেনি। যে লোকটাকে আহত দেখাচ্ছে সে লোক গত ৪/৫দিন আগে মটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী রাঙ্গার লোকজন নিজেরাই মাইক ভাংচুর করে আমার ঘারে দায় চাপাচ্ছে।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, এধরনের অভিযোগের কারনে প্রার্থীদেরকে ডেকে সর্তক করে দিয়েছি। কোন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাণীনগরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার মাইক ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

শ্রী মনোরঞ্জন চন্দ্র, নওগাঁঃ
নওগাঁর রাণীনগরে নির্বাচনী প্রচার শুরুর প্রথম দিনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার মাইক ভাংচুর, মারপিট ও বাধা প্রদানের অভিযোগ ওঠেছে নৌকা প্রতিক প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার কাশিমপুর এবং গোনা ইউনিয়নে এ দুইটি অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কাশিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু জানান, বুধবার প্রতিক বরাদ্দ পেয়ে সন্ধ্যার দিকে তার সমর্থক-কর্মীরা আনারস মাকার্র পোষ্টার এবং মাইক দ্বারা প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছিল। এসময় কুজাইল বাজারে পৌছলে ওই ইউনিয়নের নৌকা মার্কা প্রার্থীর লোকজন ১০/১৫টি মটর সাইকেল নিয়ে ভোটের প্রচারাভিযানের মাইক ভাঙ্গচুর করে। এছাড়া চকমুনু গ্রামের গ্রামীন ব্যাংকের সামনে প্রশিকার মোড়ে হিলমেট পরিহিত ২টি মটর সাইকেল যোগে অজ্ঞাত লোকজন এসে পোস্টার ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ওই রাতে ইউনিয়নের কুবরাতলী বাজার হইতে ত্রিমোহনী পর্যন্ত লাগানো সকল পোস্টার ছিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এঘটনার পর সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া একই দিন গোনা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আরিফ রাঙ্গার ঘোড়া মার্কা প্রতিকের প্রচার মাইক ভাংচুর ও প্রচার গাড়ী চালককে মারপিট করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিনি।
এব্যাপারে কাশিমপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলমগীর হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মকলেছুর রহমান বাবুর প্রচার মাইক নির্দিধায় চলছে। মকলেছুর রহমান বাবু চেয়ারম্যান পদে আছেন এবং পাশা-পাশি বিদেশে লোক পাঠানোর নামে অনেক লোকজনের সাথে টাকা-পয়সা নিয়ে ঝামেলা আছে। এর জের ধরে অন্য কেউ ভাংচুর করতে পারে।
গোনা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেক বলেন, আমার কোন লোকজন মারটি বা ভাংচুর করেনি। যে লোকটাকে আহত দেখাচ্ছে সে লোক গত ৪/৫দিন আগে মটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী রাঙ্গার লোকজন নিজেরাই মাইক ভাংচুর করে আমার ঘারে দায় চাপাচ্ছে।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, এধরনের অভিযোগের কারনে প্রার্থীদেরকে ডেকে সর্তক করে দিয়েছি। কোন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।