ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রাঙ্গামাটিতে গুর্খা সম্প্রদায়ের টিকা লাগাউনে উৎসব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
শারদীয় দূর্গাপূজা বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত গুর্খা সম্প্রদায়ের টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার শহরের বিভিন্ন মন্দিরে মন্ডপে দশমীর অঞ্জলী প্রদান শেষে গুর্খা সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে এই উৎসব চলে।
আর এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির জেল রোডস্থ সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয় ভবনে সুর নিকেতন প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খা ও সহধর্মিনী লক্সমি মানজি গুখার্র আয়োজনে মোমবাতি প্রজননের মাধ্যমে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত গুখার্ সম্প্রদায়কে টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব পালন করা হয়।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দীপেন কুমার ঘোষ, কাউখালী সরকারী কলেজের অধ্যাপক রিপন ঘোষ, নারী নেত্রী শিলা রায়, সাংবাদিক মিল্টন বাহাদুর, বিগ এইচ প্রোডাকসনের সত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী হিমাদ্রী গুর্খা মিতুলসহ গুখার্ সম্প্রদায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।
এসময় সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয় ভবনে সুর নিকেতন প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর বলেন, আদিকাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত গুর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ শারদীয় দূর্গা উৎসেব দশমীর দিনে এই টিকা লাগাউনে উৎসব পালন করে আসছে। এই উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতি-ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহাদ্য উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল বলেন, গুখার্ সম্প্রদায়ের কৃষ্টি, সাংস্কৃতি, ঐতিহ্য ধরে রাখতে হলে ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে চলার পথ দেখাতে হবে। যাতে করে এই নতুন প্রজন্ম গুখার্ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন উৎসব ও আচার অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে উৎসব মুখর ভাবে পালন করতে পারে।
পরে গুর্খা সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে কপালে টিকা দিয়ে এবং অতিথি আপায়ন করিয়ে নিজস্ব আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্যদিয়ে টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব পালন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাঙ্গামাটিতে গুর্খা সম্প্রদায়ের টিকা লাগাউনে উৎসব

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
শারদীয় দূর্গাপূজা বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত গুর্খা সম্প্রদায়ের টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার শহরের বিভিন্ন মন্দিরে মন্ডপে দশমীর অঞ্জলী প্রদান শেষে গুর্খা সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে এই উৎসব চলে।
আর এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির জেল রোডস্থ সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয় ভবনে সুর নিকেতন প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর গুর্খা ও সহধর্মিনী লক্সমি মানজি গুখার্র আয়োজনে মোমবাতি প্রজননের মাধ্যমে রাঙ্গামাটিতে বসবাসরত গুখার্ সম্প্রদায়কে টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব পালন করা হয়।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দীপেন কুমার ঘোষ, কাউখালী সরকারী কলেজের অধ্যাপক রিপন ঘোষ, নারী নেত্রী শিলা রায়, সাংবাদিক মিল্টন বাহাদুর, বিগ এইচ প্রোডাকসনের সত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী হিমাদ্রী গুর্খা মিতুলসহ গুখার্ সম্প্রদায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।
এসময় সুর নিকেতন সঙ্গীত শিক্ষালয় ভবনে সুর নিকেতন প্রতিষ্ঠাতা মনোজ বাহাদুর বলেন, আদিকাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত গুর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ শারদীয় দূর্গা উৎসেব দশমীর দিনে এই টিকা লাগাউনে উৎসব পালন করে আসছে। এই উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতি-ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহাদ্য উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল বলেন, গুখার্ সম্প্রদায়ের কৃষ্টি, সাংস্কৃতি, ঐতিহ্য ধরে রাখতে হলে ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে চলার পথ দেখাতে হবে। যাতে করে এই নতুন প্রজন্ম গুখার্ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন উৎসব ও আচার অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে উৎসব মুখর ভাবে পালন করতে পারে।
পরে গুর্খা সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে কপালে টিকা দিয়ে এবং অতিথি আপায়ন করিয়ে নিজস্ব আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্যদিয়ে টিকা লাগাউনে (বড়রা ছোটদেরকে আর্শিবাদ দেওয়া) উৎসব পালন করা হয়।