ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল আলম রনিকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

রোববার (২৭ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শরীফ উদ্দিনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানান সামসুল আলম রনি। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আদালত সুত্রে জানা যায়, এ বছরের ১৭ ই জানুয়ারী বড়াইগ্রামের কয়েন বাজার এলাকায় বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীরা দলীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে মিছিল শেষে মহাসড়ক অবরোধ করে সভা করছিলেন। এসময় মহাড়কের দু’পাড়ে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এই সংবাদ পেয়ে বড়াইগ্রাম থানার তৎকালীন এসআই সত্যব্রত সরকার সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে হাজির হন এবং যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে সভা না করার অনুরোধ করেন। এসময় রনিসহ কয়েকজন তাদের নিষেধ অমান্য করে সভাচালাতে গেলে পুলিশ বাধা দিলে নেতা-কর্মীরা এসআই সত্যব্রতর ওপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। পুলিশ তাদের বাধা দিলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনায় এসআই সত্যব্রত বাদি হয়ে সামসুল আলম রনিসহ বিএনপির স্থানীয় ৩৭ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো শতাধিক জনকে আসামী করে সরকারী কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বড়াইগ্রাম থানায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ১৪৩/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/১৮৬/১১৪ ধারায় একটি মামলা রুজু করেন।

রনির আইনজীবি আব্দুল কাদের মিয়া জানান, এই মামলায় সামসুল আলম রনি সহ ৫ জন মহামান্য হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে মহামান্য হাইকোর্ট ৬ সপ্তাহের মধ্যে নাটোরের জেলা ও দায়ংরা জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে গত ২২ মার্চ রনি ব্যতিত ৪ জন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়। রোববার ২৭ মার্চ সামসুল আলম রনি একই আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২

নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরে পুলিশ পেটানো মামলায় বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল আলম রনিকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

রোববার (২৭ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শরীফ উদ্দিনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানান সামসুল আলম রনি। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

আদালত সুত্রে জানা যায়, এ বছরের ১৭ ই জানুয়ারী বড়াইগ্রামের কয়েন বাজার এলাকায় বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীরা দলীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে মিছিল শেষে মহাসড়ক অবরোধ করে সভা করছিলেন। এসময় মহাড়কের দু’পাড়ে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এই সংবাদ পেয়ে বড়াইগ্রাম থানার তৎকালীন এসআই সত্যব্রত সরকার সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে হাজির হন এবং যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে সভা না করার অনুরোধ করেন। এসময় রনিসহ কয়েকজন তাদের নিষেধ অমান্য করে সভাচালাতে গেলে পুলিশ বাধা দিলে নেতা-কর্মীরা এসআই সত্যব্রতর ওপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। পুলিশ তাদের বাধা দিলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনায় এসআই সত্যব্রত বাদি হয়ে সামসুল আলম রনিসহ বিএনপির স্থানীয় ৩৭ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো শতাধিক জনকে আসামী করে সরকারী কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বড়াইগ্রাম থানায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ১৪৩/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/১৮৬/১১৪ ধারায় একটি মামলা রুজু করেন।

রনির আইনজীবি আব্দুল কাদের মিয়া জানান, এই মামলায় সামসুল আলম রনি সহ ৫ জন মহামান্য হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে মহামান্য হাইকোর্ট ৬ সপ্তাহের মধ্যে নাটোরের জেলা ও দায়ংরা জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে গত ২২ মার্চ রনি ব্যতিত ৪ জন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়। রোববার ২৭ মার্চ সামসুল আলম রনি একই আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।