ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নাটোরে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ১১ অভিযোগ উপস্থাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১ ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির ১১ অভিযোগ উপস্থাপন করে প্রার্থীতা পরিবর্তন চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।
রোববার (১০ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় একটি চাইনিজ রেস্তোরায় সদর উপজেলার ৫ নং হরিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ইউপি নিবার্চনে সদর উপজেলার হরিশপুর ইউনিয়নে চেয়াম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ওসমান গণি এবং তার ছেলে শফিকুল ইসলাম কালিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ১১টি অভিযোগ উপস্থাপন করে দলীয় মনোনীত প্রার্থী ওসমান গণির প্রার্থীতা পরিবর্তনের দাবী করেন হরিশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদ এবং ৯টি ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি-সাধারন সম্পাদকসহ কমিটির সকল নেতা-কর্মী। হরিশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সেলিম রেজা এবং সাধারন সম্পাদক আকলাসুর রহমান সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রার্থী ওসমান গণির বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ের জরিমানার অর্থ ও ঈদ উপহারের চাউল এবং সরকারি খাল খননের মাটি বিক্রির টাকা আত্মসাত করায় তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া টাকা নিয়ে প্রত্যয়ন পত্র দেয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক তাকে তিরস্কার সহ ১ ঘন্টার সাজা প্রদান করেন। ২০১৭-১৮ দুর্নীতির কারনে ওসমান গণির বিরুদ্ধে সকল ইউপি সদস্য অনাস্থা আনে। ইউনিয়নের সাতগ্রাম গোরস্থানের গাছগাছালি বিক্রির অর্থসহ উন্নয়নের অর্থ আত্মসাত করায় ওসমান গণিকে পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবী করেন। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একটি বেসরকারী টেলিভিশন গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে। তার ছেলে শফিকুল ইসলাম কারিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী । সে নিজেও মাদকসেবী। তারা পিতা পুত্র নানা সন্ত্রাসী ও অপকর্মে জড়িত। সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয় ওসমান গণির বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগ থাকায় ইউনিয়ন আ’লীগের কোন নেতা কর্মী তার পাশে নেই। এমনকি এলাকার মানুষ নেই তার পাশে। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সাধারন সম্পাদক আকলাসুর রহমান সহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এবিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে ওসমান গণির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এইসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও স্বাথার্ন্বেসী গোষ্টিার সাজানো গল্প। মনোনয়ন না পেয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই ওই গোষ্ঠি মিথ্যাচার শুরু করেছে। যোগ্য প্রার্থীর বিচেনায় দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। নিবার্চনে এলাকার মানুষ তাকে পুনরায় নিবার্চিত করার জন্য মুখিয়ে আছে। নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগনকে ভুল বোঝানো যাবেনা বলে তিনি দাবী করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাটোরে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ১১ অভিযোগ উপস্থাপন

আপডেট সময় : ০১:৩২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অক্টোবর ২০২১

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির ১১ অভিযোগ উপস্থাপন করে প্রার্থীতা পরিবর্তন চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।
রোববার (১০ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় একটি চাইনিজ রেস্তোরায় সদর উপজেলার ৫ নং হরিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ইউপি নিবার্চনে সদর উপজেলার হরিশপুর ইউনিয়নে চেয়াম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ওসমান গণি এবং তার ছেলে শফিকুল ইসলাম কালিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ১১টি অভিযোগ উপস্থাপন করে দলীয় মনোনীত প্রার্থী ওসমান গণির প্রার্থীতা পরিবর্তনের দাবী করেন হরিশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদ এবং ৯টি ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি-সাধারন সম্পাদকসহ কমিটির সকল নেতা-কর্মী। হরিশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সেলিম রেজা এবং সাধারন সম্পাদক আকলাসুর রহমান সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রার্থী ওসমান গণির বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ের জরিমানার অর্থ ও ঈদ উপহারের চাউল এবং সরকারি খাল খননের মাটি বিক্রির টাকা আত্মসাত করায় তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া টাকা নিয়ে প্রত্যয়ন পত্র দেয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক তাকে তিরস্কার সহ ১ ঘন্টার সাজা প্রদান করেন। ২০১৭-১৮ দুর্নীতির কারনে ওসমান গণির বিরুদ্ধে সকল ইউপি সদস্য অনাস্থা আনে। ইউনিয়নের সাতগ্রাম গোরস্থানের গাছগাছালি বিক্রির অর্থসহ উন্নয়নের অর্থ আত্মসাত করায় ওসমান গণিকে পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবী করেন। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একটি বেসরকারী টেলিভিশন গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে। তার ছেলে শফিকুল ইসলাম কারিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী । সে নিজেও মাদকসেবী। তারা পিতা পুত্র নানা সন্ত্রাসী ও অপকর্মে জড়িত। সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয় ওসমান গণির বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগ থাকায় ইউনিয়ন আ’লীগের কোন নেতা কর্মী তার পাশে নেই। এমনকি এলাকার মানুষ নেই তার পাশে। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, সাধারন সম্পাদক আকলাসুর রহমান সহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এবিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে ওসমান গণির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এইসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও স্বাথার্ন্বেসী গোষ্টিার সাজানো গল্প। মনোনয়ন না পেয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই ওই গোষ্ঠি মিথ্যাচার শুরু করেছে। যোগ্য প্রার্থীর বিচেনায় দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। নিবার্চনে এলাকার মানুষ তাকে পুনরায় নিবার্চিত করার জন্য মুখিয়ে আছে। নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগনকে ভুল বোঝানো যাবেনা বলে তিনি দাবী করেন।