ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২ ১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা। কৃষি বিষয়ক সংবাদের জন্য তথ্য চাইলে সেটি না দিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লার বিরুদ্ধে। তথ্য দেবার আশাস দিয়ে দুইদিন ঘোরানোর পর তিনি সাংবাদিকদের তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে বলেন। সাংবাদিকরাও তথ্য পেতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছেন। কৃষি কর্মকর্তার এমন আচরণে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগে জানা গেছে, সংবাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য গত বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসে যান তিন সংবাদকর্মী ইকবাল কবীর রঞ্জু, শাহীন রহমান ও আব্দুল লতীফ রঞ্জু। সেখানে কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহর কাছে রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিত কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী কৃষকের তালিকা ও মাস্টার রোল, ২০২০-২১ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের সরিষা, গম ও কালোজিরার প্রদর্শণীপ্রাপ্ত কৃষকদের নামের তালিকা এবং সর্বশেষ বিতরনণকৃত গমের ফলোআপের বীজপ্রাপ্ত কৃষকদের তালিকা এই তিনটা বিষয়ে জানতে চান তারা

ওইদিন তিনি এসব তথ্য তার ডায়রীতে নোট নিয়ে জানালেন তার হেড ক্লার্ক চলে গেছে। আপনারা কাল (পরদিন) আসেন, দিয়ে দিবো। তার কথামতো সংবাদকর্মীরা চলে যান এবং পরদিন বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে যথারীতি আবারো কৃষি অফিসে গেলে অফিসের একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান স্যারের (কৃষি কর্মকর্তা) মেয়ে অসুস্থ্য, তাকে নিয়ে পাবনায় ডাক্তারের কাছে গেছেন। আসতে দেরী হবে। স্যারের অন্তত দুই ঘন্টা সময় লাগবে ফিরতে। আপনারা পরে আসুন। স্যার আপনাদের ফোন দিয়ে ডেকে নেবেন।

তার কথামতো ওই তিন সংবাদকর্মী অফিস থেকে ফিরে বাইরে দুই ঘন্টা অপেক্ষা করেন। দুই ঘন্টা পার হয়ে তিনটার দিকে কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ সংবাদকর্মীদের ফোন করে জানান, তিনি তার মেয়েকে নিয়ে পাবনায় ডাক্তার দেখাতে গিয়ে আটকে গেছেন। ফিরতে আরো দেরী হবে। তিনি অফিসে ফিরে তাদের ফোন করে ডেকে নেবেন বলে আবারও আশ্বস্ত করেন।

তার ফোন না পেয়ে সংবাদকর্মীরা সন্ধ্যার পর কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি পাবনা থেকে আসছি। এসে আপনাদের ফোন করে অফিসে ডাকছি। কিন্তু তিনি আর ফোন দেননি। পরে বাধ্য হয়ে সংবাদকর্মী তিনজন রাত আটটার দিকে কৃষি অফিসে গিয়ে দেখতে পান তখনও অফিস খোলা, দুথজন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা, হেড ক্লার্ক ও পিয়ন অফিসে রয়েছেন। সাংবাদিকদের দেখে একজন তার স্যারকে (কৃষি কর্মকর্তা) ফোন দিয়ে জানান। পরে সংবাদকর্মীদের ডেকে নিয়ে কৃষি কর্মকর্তার কক্ষে বসতে দেন অফিসের লোকজন। কিছু সময় পর অবশেষে অফিসে আসেন কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ। তার কাছে আগেরদিনের কথা অনুযায়ী তথ্যগুলো চাইলে তিনি হেড ক্লার্ককে ডেকে ফাইল ঘেঁটে দেখেন এবং তার হাতে রেখেই সাংবাদিকদের দেখান। কিন্তু সাংবাদিকদের হাতে ফাইল বা কোনো তথ্য দেননি। তথ্যগুলো ফটোকপি চাইলে তখন তিনি হেসে বলেন, এগুলো তার অফিসিয়াল ডকুমেন্ট, দেয়া যাবে না। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে আসেন, তখন দেয়া যাবে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইকবাল কবীর রঞ্জু বলেন, আমরা জানতাম তিনি আমাদের ঘোরাচ্ছেন, সময় ক্ষেপন করছেন। তিনি তালিকাগুলো দিবেন না এমন ধারণা আগেই করেছিলাম। যেকারণে তথ্য অধিকার আইনের ফরম পূরণ করে নিয়ে তার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি যখন তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের কথা বললেন তখনই আমরা আবেদনটি তার কাছে পেশ করি। তিনি রিসিভ করেছেন। চাটমোহরে কোনো তথ্য পেতে এটি প্রথম তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করা।

সাংবাদিক ইকবাল কবীর রঞ্জু বলেন, তিনি ইচ্ছা করলে প্রথমদিন না পারলেও দ্বিতীয়দিন সকালে তথ্যগুলো দিতে পারতেন। আর যদি না ই দেবেন, তাহলে প্রথমদিনই তিনি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি না করে অযথা আমাদের হয়রানী করছেন। যে তথ্যগুলো আমরা চেয়েছি, সে বিষয়ে বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে আমাদের কাছে। আমাদের ধারণা, অনিয়ম ঢাকতে ওইসব তালিকা ঠিক করতে কালক্ষেপন করছেন তিনি।

চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমাদের বড়ালের সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের সাথে সাংবাদিকরা সহযোগিতা করে আসছেন। উন্নয়ন সমস্যা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তথ্য না দিয়ে যেভাবে সাংবাদিকদের হয়রানী করছেন সেটি দু:খজনক। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখবেন বলে আশা করি। এছাড়া স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিসের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ ও অনিয়ম সম্পর্কে কৃষকরা জানার অধিকার রাখেন। আর এই জানানোর মাধ্যম হলো সাংবাদিকরা। সুতরাং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাকে আহবান জানাবো তিনি যেন সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে যথাযথ সহযোগিতা করবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ বিষয়ে এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, তারা তথ্য চেয়েছেন, আমি দিতে চেয়েছি। আমার মেয়ের অসুস্থ্যতার জন্য পাবনা থাকায় আসতে দেরী হয়েছে। তারা রাত ৯টা পর্যন্ত আমার অফিসে বসেছিলেন। তারা দেখি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন নিয়ে এসেছেন। আমার কাছে সব তথ্যই আছে। আমিতো কিছু গোপন করিনি। আমি তাদের হয়রানীও করিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম বলেন, আমি তো বিস্তারিত কিছু জানিনা। তবে যতটুকু শুনেছি সাংবাদিকরা তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছেন। কৃষি কর্মকর্তা তাদের তথ্য দিয়ে দিবেন এটুকু জানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১১:২৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ
তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য দিলেন না কৃষি কর্মকর্তা। কৃষি বিষয়ক সংবাদের জন্য তথ্য চাইলে সেটি না দিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লার বিরুদ্ধে। তথ্য দেবার আশাস দিয়ে দুইদিন ঘোরানোর পর তিনি সাংবাদিকদের তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে বলেন। সাংবাদিকরাও তথ্য পেতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছেন। কৃষি কর্মকর্তার এমন আচরণে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগে জানা গেছে, সংবাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য গত বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসে যান তিন সংবাদকর্মী ইকবাল কবীর রঞ্জু, শাহীন রহমান ও আব্দুল লতীফ রঞ্জু। সেখানে কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহর কাছে রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিত কৃষক উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী কৃষকের তালিকা ও মাস্টার রোল, ২০২০-২১ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের সরিষা, গম ও কালোজিরার প্রদর্শণীপ্রাপ্ত কৃষকদের নামের তালিকা এবং সর্বশেষ বিতরনণকৃত গমের ফলোআপের বীজপ্রাপ্ত কৃষকদের তালিকা এই তিনটা বিষয়ে জানতে চান তারা

ওইদিন তিনি এসব তথ্য তার ডায়রীতে নোট নিয়ে জানালেন তার হেড ক্লার্ক চলে গেছে। আপনারা কাল (পরদিন) আসেন, দিয়ে দিবো। তার কথামতো সংবাদকর্মীরা চলে যান এবং পরদিন বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে যথারীতি আবারো কৃষি অফিসে গেলে অফিসের একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান স্যারের (কৃষি কর্মকর্তা) মেয়ে অসুস্থ্য, তাকে নিয়ে পাবনায় ডাক্তারের কাছে গেছেন। আসতে দেরী হবে। স্যারের অন্তত দুই ঘন্টা সময় লাগবে ফিরতে। আপনারা পরে আসুন। স্যার আপনাদের ফোন দিয়ে ডেকে নেবেন।

তার কথামতো ওই তিন সংবাদকর্মী অফিস থেকে ফিরে বাইরে দুই ঘন্টা অপেক্ষা করেন। দুই ঘন্টা পার হয়ে তিনটার দিকে কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ সংবাদকর্মীদের ফোন করে জানান, তিনি তার মেয়েকে নিয়ে পাবনায় ডাক্তার দেখাতে গিয়ে আটকে গেছেন। ফিরতে আরো দেরী হবে। তিনি অফিসে ফিরে তাদের ফোন করে ডেকে নেবেন বলে আবারও আশ্বস্ত করেন।

তার ফোন না পেয়ে সংবাদকর্মীরা সন্ধ্যার পর কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহকে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি পাবনা থেকে আসছি। এসে আপনাদের ফোন করে অফিসে ডাকছি। কিন্তু তিনি আর ফোন দেননি। পরে বাধ্য হয়ে সংবাদকর্মী তিনজন রাত আটটার দিকে কৃষি অফিসে গিয়ে দেখতে পান তখনও অফিস খোলা, দুথজন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা, হেড ক্লার্ক ও পিয়ন অফিসে রয়েছেন। সাংবাদিকদের দেখে একজন তার স্যারকে (কৃষি কর্মকর্তা) ফোন দিয়ে জানান। পরে সংবাদকর্মীদের ডেকে নিয়ে কৃষি কর্মকর্তার কক্ষে বসতে দেন অফিসের লোকজন। কিছু সময় পর অবশেষে অফিসে আসেন কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ। তার কাছে আগেরদিনের কথা অনুযায়ী তথ্যগুলো চাইলে তিনি হেড ক্লার্ককে ডেকে ফাইল ঘেঁটে দেখেন এবং তার হাতে রেখেই সাংবাদিকদের দেখান। কিন্তু সাংবাদিকদের হাতে ফাইল বা কোনো তথ্য দেননি। তথ্যগুলো ফটোকপি চাইলে তখন তিনি হেসে বলেন, এগুলো তার অফিসিয়াল ডকুমেন্ট, দেয়া যাবে না। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে আসেন, তখন দেয়া যাবে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইকবাল কবীর রঞ্জু বলেন, আমরা জানতাম তিনি আমাদের ঘোরাচ্ছেন, সময় ক্ষেপন করছেন। তিনি তালিকাগুলো দিবেন না এমন ধারণা আগেই করেছিলাম। যেকারণে তথ্য অধিকার আইনের ফরম পূরণ করে নিয়ে তার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি যখন তথ্য অধিকার আইনে আবেদনের কথা বললেন তখনই আমরা আবেদনটি তার কাছে পেশ করি। তিনি রিসিভ করেছেন। চাটমোহরে কোনো তথ্য পেতে এটি প্রথম তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করা।

সাংবাদিক ইকবাল কবীর রঞ্জু বলেন, তিনি ইচ্ছা করলে প্রথমদিন না পারলেও দ্বিতীয়দিন সকালে তথ্যগুলো দিতে পারতেন। আর যদি না ই দেবেন, তাহলে প্রথমদিনই তিনি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি না করে অযথা আমাদের হয়রানী করছেন। যে তথ্যগুলো আমরা চেয়েছি, সে বিষয়ে বেশকিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে আমাদের কাছে। আমাদের ধারণা, অনিয়ম ঢাকতে ওইসব তালিকা ঠিক করতে কালক্ষেপন করছেন তিনি।

চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমাদের বড়ালের সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের সাথে সাংবাদিকরা সহযোগিতা করে আসছেন। উন্নয়ন সমস্যা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তথ্য না দিয়ে যেভাবে সাংবাদিকদের হয়রানী করছেন সেটি দু:খজনক। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখবেন বলে আশা করি। এছাড়া স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিসের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ ও অনিয়ম সম্পর্কে কৃষকরা জানার অধিকার রাখেন। আর এই জানানোর মাধ্যম হলো সাংবাদিকরা। সুতরাং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাকে আহবান জানাবো তিনি যেন সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে যথাযথ সহযোগিতা করবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ বিষয়ে এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, তারা তথ্য চেয়েছেন, আমি দিতে চেয়েছি। আমার মেয়ের অসুস্থ্যতার জন্য পাবনা থাকায় আসতে দেরী হয়েছে। তারা রাত ৯টা পর্যন্ত আমার অফিসে বসেছিলেন। তারা দেখি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন নিয়ে এসেছেন। আমার কাছে সব তথ্যই আছে। আমিতো কিছু গোপন করিনি। আমি তাদের হয়রানীও করিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম বলেন, আমি তো বিস্তারিত কিছু জানিনা। তবে যতটুকু শুনেছি সাংবাদিকরা তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছেন। কৃষি কর্মকর্তা তাদের তথ্য দিয়ে দিবেন এটুকু জানি।