ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

চেয়ারম্যান হয়ে মানুষের সেবা করতে চান ফকরুদ্দিন ফুটু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের অবস্থান জানান দিতে এবং মজবুত করতে মাঠে নেমেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা এবং জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। থেমে নেই নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা এই ধারাবাহিকতায় বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এস এম আলী ফকরুদ্দিন (ফুটু) যাচ্ছেন ভোটারদের দারে দারে এবং চালিয়ে যাচ্ছেন তার নির্বাচনী প্রচারণা।
সাদা মানুষ বলতে আমরা তাকে বুঝি যার মনটা সুন্দর। তেমনই একজন আলোকিত সাদা মনের মানুষ,এস এম ফকরুদ্দিন ফুটু।
“ফুটু মাষ্টার” নামে তিনি সবার কাছে পরিচিত।
ফুটু মাষ্টার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, যুবকদের নানান ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন, সামাজিক কার্যক্রমসহ সার্বিকভাবে সার্বক্ষণিক তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন।
উপজেলার রামশার কাজিপুর (আমতলী) গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিন শাহ এর নবম সন্তান আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম আলী ফকরুদ্দিন ফুটু বলেন, পারিবারিক ভাবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। আমার সেজ ভাই অধ্যাপক এস এম ফিরোজ নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তার হাত ধরেই ১৯৯৩ সাল থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে কাজ করেছিলাম এর পর ইউনিয়ন, কলেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করেছি বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত সহ-সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমি আমার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাইলে আমি জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবো।
তিনি আরো জানান, ছাত্র রাজনীতি করার জন্য তাকে বার বার হাজতবাস করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ করায় সাব্বির আহমেদ গামা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হন এবং ২২ মাস সাজা খাটার পর ২০১০ সালে ততকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সাধারণ ক্ষমায় নতুন জীবন লাভ করি। গামা হত্যার জের ধরে আমাদের পরিবারসহ মোট ৪৭ টি বাড়ি ও ২০ টি দোকান পুড়িয়ে দেয় সেই পোড়াবাড়ি এবং বার বার নির্যাতিত হয়েও আজও বঙ্গবন্ধুর আর্দশ নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চেয়ারম্যান হয়ে মানুষের সেবা করতে চান ফকরুদ্দিন ফুটু

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের অবস্থান জানান দিতে এবং মজবুত করতে মাঠে নেমেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা এবং জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। থেমে নেই নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা এই ধারাবাহিকতায় বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এস এম আলী ফকরুদ্দিন (ফুটু) যাচ্ছেন ভোটারদের দারে দারে এবং চালিয়ে যাচ্ছেন তার নির্বাচনী প্রচারণা।
সাদা মানুষ বলতে আমরা তাকে বুঝি যার মনটা সুন্দর। তেমনই একজন আলোকিত সাদা মনের মানুষ,এস এম ফকরুদ্দিন ফুটু।
“ফুটু মাষ্টার” নামে তিনি সবার কাছে পরিচিত।
ফুটু মাষ্টার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, যুবকদের নানান ক্রীড়া সামগ্রী বিতরন, সামাজিক কার্যক্রমসহ সার্বিকভাবে সার্বক্ষণিক তিনি মানুষের পাশে রয়েছেন।
উপজেলার রামশার কাজিপুর (আমতলী) গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিন শাহ এর নবম সন্তান আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম আলী ফকরুদ্দিন ফুটু বলেন, পারিবারিক ভাবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। আমার সেজ ভাই অধ্যাপক এস এম ফিরোজ নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তার হাত ধরেই ১৯৯৩ সাল থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। ১৯৯০ সালে সামরিক শাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে কাজ করেছিলাম এর পর ইউনিয়ন, কলেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করেছি বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত সহ-সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমি আমার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাইলে আমি জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবো।
তিনি আরো জানান, ছাত্র রাজনীতি করার জন্য তাকে বার বার হাজতবাস করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ করায় সাব্বির আহমেদ গামা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হন এবং ২২ মাস সাজা খাটার পর ২০১০ সালে ততকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সাধারণ ক্ষমায় নতুন জীবন লাভ করি। গামা হত্যার জের ধরে আমাদের পরিবারসহ মোট ৪৭ টি বাড়ি ও ২০ টি দোকান পুড়িয়ে দেয় সেই পোড়াবাড়ি এবং বার বার নির্যাতিত হয়েও আজও বঙ্গবন্ধুর আর্দশ নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যাচ্ছি।