ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শ্রমিকের কষ্ট চোখে পড়ে আদর্শ শ্রমিক “নুরুজ্জামান’র”

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

শ্রমিকের কষ্ট চোখে পড়ে আদর্শ শ্রমিক "নুরুজ্জামান'র"

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উমর ফারুক, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
কনকনে শীত আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রাকে অপেক্ষা করে নিজ সখের বাড়ি থেকে যখন বেরুতেই মন চায় না, বের হলেই যেন শরীল শীতে বরফে জমে জায়, সেই শীতের মাঝে রুমে যখন একটু আরাম হয়। তখও সব আরাম ভুলে পরিবারের মানুষদের আহার নিয়ে ভাবতে হয় দিনমুজুর, শ্রমিক মানুষদের।

বস্তুত তাদের একটি আরামের দুপুর অনেকগুলো মানুষের অনাহারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এরকম চিন্তা তাদের কাছে দুরাশা। আমাদের একজন নেতা আছে যাকে নেতা না বলে জনগণের জন্য একজন আদর্শ শ্রমিক বলাটাই ঠিক হবে। যে কাজ করে সেইতো শ্রমিক, অন্যভাবে শ্রম যে দেয় সেই শ্রমিক। সেই অর্থে তিনি আদর্শ শ্রমিক বটেই। যে দিনরাত এক করে মাঠে ময়দানে ছুটে বেড়ান। তিনিও দুপুরেও ছুটে বেড়ান, তাই শ্রমিক দিনমজুর ভাইদের কষ্ট গুলো চোখে পড়ে।

যে কষ্টগুলো আমাদের মতো আরামপ্রীয় মানুষেরা দেখতে পায়না। শ্রমিক না হলে কি শ্রমিকের কষ্ট বোঝা যায়। ভাইয়ের জন্য যে ভাইয়েরই মন সবচেয়ে বেশি মনে পোড়ে। তেমনি গাড়ি হাতে, মোটর শ্রমীক, কাচি হাতে ধান শ্রমিক, প্যাডেল ঘুরানো ভ্যান শ্রমিক, ঝুড়ি মাথায় নির্মাণ শ্রমিক, ঝাড়ু হাতে পরিচ্ছন্নতা কর্মি, কিংবা বৈঠা বাউয়া নৌ শ্রমিক, সবাই যে তাকে চেনে। বিশেষ ভাবে তাদের মাঝে কাজ করার কারনে।

এর চেয়ে কি বড় শ্রমিক আর হতে পারে। সে আমাদের পঞ্চগড় জেলার জাতীয় শ্রমীক লীগের সদস্য সচিব, মোঃ নুরুজ্জামান মিয়ার কথা বলছি। যে নিজেকে জনগণের জন্য একজন আদর্শ শ্রমিক মনে করেন, বলেই শ্রমিকদের জন্য তার এতো ব্যথা।কোথাও চলার পথে তাদের কষ্ট পেতে দেখলে, যেকোন ভাবে তাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করেন।

রোদ বৃষ্টি ঝড়ের মধ্যে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে সেবা করেন। মহামারী করোনাভাইরাস এর সময় নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জননন্দিত একজন নেতা বদলে দিতে পারে দেশকে। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয় জাতি। তার ব্যক্তিত্বে প্রভাবিত হয়ে মানুষ রুখে দাঁড়াতে পারে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে।নেতৃত্ব একটি মহৎ গুণ।

একটি দেশ যখন হতাশার তিমিরে হাবুডুবু খায়, মানুষ যখন খোঁজে মুক্তির অন্বেষণ তখন তাদের প্রয়োজন পড়ে একজন বলিষ্ঠ নেতার। কেননা, আমাদের সমাজে কর্মীর অভাব না থাকলেও রয়েছে সঠিক নেতৃত্বের অভাব।শ্রমীকেরা এমন একজন নেতা খোঁজে যে হবে তাদেরই একজন।তাদের সুখ দুঃখ উপলদ্ধি করবে সে। একজন নেতার থাকতে হবে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুণ, অসীম সাহস ও বীরত্ব।তাকে হতে হবে জনগণের আস্থাভাজন, অটল, অবিচল। কোন প্রকার লোভ, অত্যাচার, মোহ তাকে সংকল্প থেকে বিচ্যুৎ করতে পারবে না।জাতির জীবনে এই প্রাণ সঞ্চার করেন।

এ ধরনের নেতাদের কর্ম ও অনুপ্রেরণায় সাধারণ মানুষ আপন অন্তরে অনুভব করেন অমিত শক্তি ও বল। তারা যে কোন ধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হন না। এদের কথায় জনগণ জীবন পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে, কুণ্ঠিত হন না। সে হল মোঃ নুরুজ্জামান, সে এবারে পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং রাজঃ ২৬৪ টির সহ সভাপতি পদ প্রার্থী।আমরা সবাই দুয়া করব, যাতে নুরুজ্জামানের জগ মার্কার বিপুল ভোটে বিজয় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শ্রমিকের কষ্ট চোখে পড়ে আদর্শ শ্রমিক “নুরুজ্জামান’র”

আপডেট সময় : ১০:১৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

উমর ফারুক, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
কনকনে শীত আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রাকে অপেক্ষা করে নিজ সখের বাড়ি থেকে যখন বেরুতেই মন চায় না, বের হলেই যেন শরীল শীতে বরফে জমে জায়, সেই শীতের মাঝে রুমে যখন একটু আরাম হয়। তখও সব আরাম ভুলে পরিবারের মানুষদের আহার নিয়ে ভাবতে হয় দিনমুজুর, শ্রমিক মানুষদের।

বস্তুত তাদের একটি আরামের দুপুর অনেকগুলো মানুষের অনাহারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এরকম চিন্তা তাদের কাছে দুরাশা। আমাদের একজন নেতা আছে যাকে নেতা না বলে জনগণের জন্য একজন আদর্শ শ্রমিক বলাটাই ঠিক হবে। যে কাজ করে সেইতো শ্রমিক, অন্যভাবে শ্রম যে দেয় সেই শ্রমিক। সেই অর্থে তিনি আদর্শ শ্রমিক বটেই। যে দিনরাত এক করে মাঠে ময়দানে ছুটে বেড়ান। তিনিও দুপুরেও ছুটে বেড়ান, তাই শ্রমিক দিনমজুর ভাইদের কষ্ট গুলো চোখে পড়ে।

যে কষ্টগুলো আমাদের মতো আরামপ্রীয় মানুষেরা দেখতে পায়না। শ্রমিক না হলে কি শ্রমিকের কষ্ট বোঝা যায়। ভাইয়ের জন্য যে ভাইয়েরই মন সবচেয়ে বেশি মনে পোড়ে। তেমনি গাড়ি হাতে, মোটর শ্রমীক, কাচি হাতে ধান শ্রমিক, প্যাডেল ঘুরানো ভ্যান শ্রমিক, ঝুড়ি মাথায় নির্মাণ শ্রমিক, ঝাড়ু হাতে পরিচ্ছন্নতা কর্মি, কিংবা বৈঠা বাউয়া নৌ শ্রমিক, সবাই যে তাকে চেনে। বিশেষ ভাবে তাদের মাঝে কাজ করার কারনে।

এর চেয়ে কি বড় শ্রমিক আর হতে পারে। সে আমাদের পঞ্চগড় জেলার জাতীয় শ্রমীক লীগের সদস্য সচিব, মোঃ নুরুজ্জামান মিয়ার কথা বলছি। যে নিজেকে জনগণের জন্য একজন আদর্শ শ্রমিক মনে করেন, বলেই শ্রমিকদের জন্য তার এতো ব্যথা।কোথাও চলার পথে তাদের কষ্ট পেতে দেখলে, যেকোন ভাবে তাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করেন।

রোদ বৃষ্টি ঝড়ের মধ্যে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে সেবা করেন। মহামারী করোনাভাইরাস এর সময় নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। জননন্দিত একজন নেতা বদলে দিতে পারে দেশকে। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয় জাতি। তার ব্যক্তিত্বে প্রভাবিত হয়ে মানুষ রুখে দাঁড়াতে পারে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে।নেতৃত্ব একটি মহৎ গুণ।

একটি দেশ যখন হতাশার তিমিরে হাবুডুবু খায়, মানুষ যখন খোঁজে মুক্তির অন্বেষণ তখন তাদের প্রয়োজন পড়ে একজন বলিষ্ঠ নেতার। কেননা, আমাদের সমাজে কর্মীর অভাব না থাকলেও রয়েছে সঠিক নেতৃত্বের অভাব।শ্রমীকেরা এমন একজন নেতা খোঁজে যে হবে তাদেরই একজন।তাদের সুখ দুঃখ উপলদ্ধি করবে সে। একজন নেতার থাকতে হবে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুণ, অসীম সাহস ও বীরত্ব।তাকে হতে হবে জনগণের আস্থাভাজন, অটল, অবিচল। কোন প্রকার লোভ, অত্যাচার, মোহ তাকে সংকল্প থেকে বিচ্যুৎ করতে পারবে না।জাতির জীবনে এই প্রাণ সঞ্চার করেন।

এ ধরনের নেতাদের কর্ম ও অনুপ্রেরণায় সাধারণ মানুষ আপন অন্তরে অনুভব করেন অমিত শক্তি ও বল। তারা যে কোন ধরনের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হন না। এদের কথায় জনগণ জীবন পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে, কুণ্ঠিত হন না। সে হল মোঃ নুরুজ্জামান, সে এবারে পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং রাজঃ ২৬৪ টির সহ সভাপতি পদ প্রার্থী।আমরা সবাই দুয়া করব, যাতে নুরুজ্জামানের জগ মার্কার বিপুল ভোটে বিজয় হয়।